• Your Othoba.com
Books & Stationery

You have no items in your shopping cart.

 

দেশী বই

7580 products found

Sort by
Display per page
30% Off
30% Off

বাবু-১২

Tk 120 Tk 84
40% Off

মেকিং অব মার্টারস ইন ইন্ডিয়া পাকিস্তান অ্যান্ড বাংলাদেশ (হার্ডকভার)

Tk 400 Tk 240

তিনজন নেতা এসেছিলেন উপমহাদেশে।
তাঁদের প্রভাব, তাঁদের ঘিরে থাকা বিতর্ক, তাঁদের উত্তরাধিকার আজকের দিন পর্যন্ত রাজনৈতিক বৈরিতায় ইন্ধন জুগিয়ে চলেছে।

রাজনীতির আকাশে বিশাল নক্ষত্রের মতন জ্বলজ্বল করছে আজও তাঁদের নাম- শেখ মুজিবুর রহমান, ইন্দিরা গান্ধী, জুলফিকার আলী ভুট্টো। তাঁদের রাজনৈতিক ভূমিকা সম্পর্কে রয়েছে পরস্পরবিরোধী কাহিনী । বক্তার ওপর নির্ভর করে প্রতিটা কাহিনীর থাকে ‘বাংলাদেশী’, ‘ভারতীয় ও ‘পাকিস্তানী’ সংস্করণ। এসব সংস্করণের মধ্যে সংযোগ অন্বেষণ এবং তিন নেতার পূর্ণাঙ্গ ও বস্তুনিষ্ঠ রাজনৈতিক প্রতিকৃতি তুলে ধরা হয়েছে এই বইতে।

এই তিনজন কিংবদন্তিতুল্য নেতা উপমহাদেশের রাজনীতিতে রেখে গিয়েছেন অমোচনীয় দাগ। শেখ মুজিবুর রহমান, ইন্দিরা গান্ধী ও জুলফিকার আলী ভুট্টো নিজ ভূখণ্ডে জনগণের নিরঙ্কুশ ভালোবাসা পেয়েছেন, আবার প্রতিহিংসারও শিকার হয়েছেন।

অনুগামী, গুণগ্রাহী আর অনুগত সমর্থকরা তাঁদের আইডলে পরিণত করেছে, রোমান্টিক করে তুলেছে, করুণ রসের বস্তুতে পরিণত করেছে- তাঁদের স্মরণ করা হয় নায়ক ও শহীদ হিসেবে।

অন্যদিকে সমালোচকদের চোখে তাঁরা ক্ষমতালোভী স্বৈরাচারী, দলান্ধ— যাঁরা তাঁদের দেশের ইতিহাসে রেখে গেছেন কালো দাগ।

কাকতালীয় বিষয়, তাঁদের তিনজনেরই মৃত্যু হয়েছে অস্বাভাবিকভাবে।

40% Off

নীতি দুর্নীতি রাজনীতি (হার্ডকভার)

Tk 500 Tk 300

দুর্নীতি ও রাজনীতি বাংলাদেশ বাস্তবতায় পরস্পর সম্পৃক্ত একটি জটিল বিষয়। রাষ্ট্রীয় নীতি নির্ধারণ, প্রক্রিয়াকরণ ও বাস্তবায়নের প্রতিটি পর্যায়ে নীতি, দুর্নীতি ও রাজনীতির স্পষ্ট সমীকরণ বিদ্যমান।

নীতি ও রাজনীতি পরস্পর অবিভাজ্য। রাজনীতি নীতিবোধ দ্বারা পরিচিত ও পরিবেশিত না হয়ে কখনো কখনো কোথাও কোথাও উল্টো পথে হাঁটে। নেতিবাচক ফলদায়ক হয়ে দাঁড়ায়। দুর্নীতি সে রকমই একটি উল্টো রথের বিষয়। আমাদের প্রিয় মাতৃভূমি বাংলাদেশ সেভাবেই যেন চলমান।

নীতি, দুর্নীতি ও রাজনীতির আবর্তে যে বাংলাদেশ সে সম্পর্কিত বিষয়ের বিশ্লেষণই এই গ্রন্থের প্রতিপাদ্য বিষয়। বাংলাদেশ সমাজ ও সরকারের সবকিছুই এর আলোচ্যসূচির অন্তর্ভুক্ত। একটি নির্দিষ্ট সময়কে যথার্থভাবে অনুধাবনের স্বার্থে বিন্যস্ত হয়েছে বিষয়াবলি। এসব বিষয়ের মাধ্যমে এটি স্পষ্টভাবে প্রতীয়মান হয়েছে যে, বাংলাদেশ রাষ্ট্র ও সরকারে নীতি বিসর্জিত হয়েছে। দুর্নীতিই নীতি হিসেবে গৃহীত হয়েছে। এভাবে অনিয়মই যেন হয়ে উঠেছে নিয়ম। রাষ্ট্রব্যবস্থার মূল চালিকাশক্তি ‘রাজনীতি’ তথা রাজনৈতিক সরকার অন্যায়ের নিয়ামক হয়ে উঠেছে। এই গ্রন্থে এ অবস্থা থেকে উত্তরণের সন্ধান খোঁজা হয়েছে।

35% Off

হিজাবের বিধি - বিধান

Tk 270 Tk 176

হিজাব সার্বক্ষণিক একটি ফরজ ইবাদাত। যা একজন নারীকে খুব সতর্কতার সাথে মেনে চলতে হয়। একজন নারীর জান্নাতে যাওয়ার ক্ষেত্রে হিজাবের ভূমিকা অনেক বড়ো। যদি সে হিজাবের পাশাপশি অন্যান্য ভালো আমলগুলো করে, তা হলে সে জান্নাতে যাবে, ইন শা আল্লাহ। আর যদি সে হিজাব পালন না করে, তা হলে সে এর দ্বারা তার বাবা ও স্বামীকে দাইয়্যুস বানায়। যার ফলে সেই নারী নিজেকে-সহ তাদের সবাইকে জাহান্নামের দিকে নিয়ে যায়।

এখন প্রশ্ন আসে, হিজাব কী? হিজাবের পরিধি কতটুকু? মুখ ঢাকা কি হিজাবের অন্তর্ভুক্ত? শাড়ি পরলেও কি হিজাব পালন হয়? হিজাব ও জিলবাবের মধ্যে পার্থক্য কী? এরকম অসংখ্য খুঁটিনাটি প্রশ্ন আর পর্দার বিধান নিয়ে শাইখ আবদুল আযীয তারীফি রচনা করেছেন ‘আল-হিজাব ফিশ শারঈ ওয়াল ফিতরাহ’। বাংলাভাষী বোনদের জন্য হিজাবের গাইডলাইন হিসেবে গুরুত্বপূর্ণ সেই বইটির অনুবাদ ‘হিজাবের বিধিবিধান’ নামে আমরা নিয়ে এসেছি, আলহামদুলিল্লাহ। আশা করছি প্রতিটি মুসলিম বোন এই বইটি কাছে রাখলে উপকৃত হবে, ইন শা আল্লাহ।

35% Off

আমি কি তোমাদের জানিয়ে দেবো না ?

Tk 250 Tk 162

প্রায় দেড় হাজার বছর আগে প্রিয় নবি (সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আমাদেরকে ভালোবেসে কোনো এক মজলিসে ‘ভাই’ বলে সম্বোধন করেছেন। সেই মজলিসে আমরা থাকতে পারিনি; কিন্তু সাহাবায়ে কেরাম ছিলেন। তিনি সাহাবিদের মজলিসে বসে থাকতেন, সাহাবায়ে কেরাম প্রশ্ন করতেন আর আমাদের প্রিয় নবিজি উত্তর দিতেন। কিন্তু কখনো কখনো নবিজি নিজেই আগ্রহ সহকারে বলতেন, ‘আমি কি তোমাদেরকে সর্বোত্তম বিষয়টি জানিয়ে দেবো না?’ ‘আমি কি তোমাদেরকে নামাজ-রোযার চেয়েও উত্তম আমলের কথা বলে দেবো না?’ সাহাবিরাও খুব আন্তরিকতার সাথে বলতেন, ‘অবশ্যই, ইয়া রাসূলাল্লাহ, আপনি আমাদের জানিয়ে দিন।’ যে কথাগুলো নবিজি নিজ থেকে আমাদেরকে জানিয়ে দিতে চেয়েছেন, নিশ্চয়ই সে কথাগুলোর বিশেষ গুরুত্ব রয়েছে। এই গুরুত্বের কথা বিবেচনা করেই আমরা নবিজির দরদমাখা সেই নির্দেশনাগুলো “আমি কি তোমাদের জানিয়ে দেবো না” এই শিরোনামে একত্রিত করেছি।
নবিজি এমন কী বিশেষ কথা আমাদের জন্য বলে গিয়েছেন, এমন কী গুরুত্বপূর্ণ আমলের খবর আমাদের দিয়েছেন, কারও কোনো প্রশ্ন করা ছাড়াই নিজ আগ্রহে তিনি কোন কোন বিষয়গুলো আমাদের জানিয়ে দিয়েছেন—চলুন জীবনে একবার হলেও সেগুলো জেনে নিই।

30% Off

কালীগুণীন ত্রাহি মাম (হার্ডকভার)

Tk 420 Tk 294

গল্পের সারাংশ:
কালীগুণীন এবং বাঘের থাবাঃ দেবেন্দ্র জমিদার হলেও হরেক রকম পরীক্ষা নিরীক্ষার পাগলামি রয়েছে তাঁর। একখানা প্রাচীন পুথির সন্ধান পেয়ে দেবেন্দ্র আবিষ্কার করে ফেলল এক রহস্যময় আরক! যে আরকের দুর্নিবার প্রভাবে আমূল পরিবর্তন ঘরে মানব শ্রীরে। কী সেই পরিবর্তন? হাতকাটা সাধু কেন নিজের পূর্ণশক্তির প্রয়োগ করে ঝাঁপিয়ে পড়ল এই আরকের সন্ধানে?
কালীগুণীন এবং রাহুর গ্রাসঃ সুন্দরবনের একখানা অখ্যাত গাঁয়ে খননকার্য চালাতে গিয়ে উঠে এল একখানা আস্ত প্রাসাদ! প্রাসাদ, নাকি পুরাকালের কোনও কারাগার? কে বন্দি ছিল সেই অন্ধকূপে? এরপরেই গ্রামে শুরু হয় পরপর ভয়ানক নরমেধের পালা…
আপাই–নরমেধে আহূতি আবারঃ ডাকিনীর বিল গ্রামে হানা দিল এক অতি ভয়ঙ্কর বিপদ! তীক্ষ্ণ, ক্ষুরধার মেধার এই নৃশংস হত্যাকারী সহস্র রকমের ভেক ধরে, ছলে ভুলিয়ে হত্যা করে গাঁয়ের লোকদের। এক অসামান্য প্রাচীন বিদ্যা, যা আমূল বদলে দিতে পারে পৃথিবীকে। কালীপদ মুখুজ্জে কি পারল দ্বিতীয়বার সেই আপাইয়ের মোকাবেলা করে এই নরমেধকে বন্ধ করতে?
কালীগুণীন এবং বাঘামূড়ার আতঙ্কঃ বাঘের হাতে মানুষের মাথা আর ধর বিচ্ছিন্ন হয়ে গেলে সেই দেহে জন্ম নেয় কারা? আরম্ভ হল সাতখানা গাঁ জুড়ে এক নৃশংস নরবাঘের তান্ডব! সে ছলে বলে কৌশলে আরম্ভ করল নৃশংস নরহত্যা। কালীগুণীন কীভাবে লড়বে এই মানুষ আর বাগ-মানুষের মধ্যেকার অসম যুদ্ধ?
কালীগুণীন এবং ছিন্নমস্তার পুথঃ গণপতি কবিরাজ সুদূর পর্বতের কোনও এক গাঁ-এ সন্ধান পায় এক মহা আশ্চর্য বিদ্যার যা চিকিৎসা বিজ্ঞানের ভিত নড়িয়ে দিতে সক্ষম! কী সেই বিদ্যা? সেই সাত রাজার ধন পুথিকে হস্তগত করতে আক্রমণ করল এক নরপিশাচ। কালীগুণীন কি পারবে সেই অসম্ভব ধূর্ত নররাক্ষসকে নিজের কূটনৈতিক বুদ্ধি দ্বারা পরাস্ত করতে?

30% Off

কালীগুণীনের কিস্তিমাত ২ (হার্ডকভার)

Tk 450 Tk 315

গল্পের সারাংশ
কালীগুণীন এবং দানবের মণিঃ এক পৌরাণিক দিব্যবস্তু, যাকে যুগ যুগ ধরে মানবসভ্যতা অলীক বলে ভেবে এসেছে। অথচ যার সন্ধানে আদিকাল থেকেই মুনি-ঋষি, দেব, দানব ও মানুষেরা ঘুরে বেরিয়েছে হাজার হাজার বছর ধরে। কালীগুণীন কি পারবে সেই পৌরাণিক রহস্য উদ্ধার করতে?
কালীগুণীন এবং করালদংষ্ট্রা রহস্যঃ পুরাণে যে মহা মারণাস্ত্রের নাম শোনা মাত্র দেবতা, দানব, যক্ষ, রক্ষ, পিশাচ, দৈত্য সকলে কাঁপতে কাঁপতে হাত জোড় করে বসে পড়ে, সেই মহামারী অস্ত্রের একটা অংশ হঠাৎ মানবসভ্যতায় উন্মুক্ত হয়ে পড়ল এক পুরাতাত্ত্বিক খননকার্যের ফলে আরম্ভ হল নরমেধের পালা। তারপর?
কালীগুণীন এবং ভস্মাসুরের শাপঃ এক প্রলয়ংকরী মহাবিদ্যা ‘বজ্রসম্ভব’ -এর সন্ধান পেয়ে কাপালিক চন্ড হয়ে উঠল আপরাজেয়। তাঁর গুরুর আশীর্বাদ, অপরের হাতে কখনও মরবে না সে। কালীগুণীন কি পারবে সেই অদম্য শক্তির আধার চন্ডকে পরাস্ত করতে।
কালীগুণীন এবং পঞ্চবান রহস্যঃ এক ধূর্ত তান্ত্রিকের অভিনব মারণ কৌশল এবং অনন্তর পরিবারকে রক্ষা করতে কালীগুণীনের অমোগ কূটবুদ্ধির লড়াই কি শেষ অবধি পারবে পঞ্চবাণের আশ্চর্য রহস্য ভেদ করতে? যখন অপশক্তির হাতে জীবনীশক্তি পরাস্ত হতে আরম্ভ করে… অশরীরী অপদেবতার হিংস্র থাবা গ্রাস করতে থাকে গ্রাম-তালুক-শহর… অপরাগ মানুষ অসহায়ভাবে অপেক্ষা করতে থাকে মৃত্যুর… ঠিক তখনই আবির্ভুত হন… পিশাচের যম… অপশক্তির সাক্ষাৎ শমন… এক ব্রাহ্মণ… নাম কালীপদ মুখুজ্জে… নিবাস রায়দীঘড়া।

30% Off

ডেয়ার অর ডাই

Tk 440 Tk 308

গল্পের সারাংশ
ফোবিয়ান্স নামটা সার্থক স্যার। সবার জন্যই মুর্তিমান ফোবিয়া ছিল ওরা!”
একশো এক বি হস্টেল রুম, জলপাইগুড়ি গভর্নমেন্ট ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজ- হন্টেড রুম নামে পরিচিত। ত্রিশ বছর আগে শ্রেয়স নামের একটি ছেলের রহস্যময় মৃত্যু ঘটে সেই রুমে। তাঁর দশ বছর পড়ে ঐ ঘরে ঘটে আরও একটি মৃত্যু। দু’জনেরই মৃত্যুর কারণ কার্ডিয়াক ফেইলিওর বা হার্ট-অ্যাটাক।
 অধিরাজদের কাছে গোপন্সূত্রে খবর আসে, সুপারি কিলার কালিয়া সুপারি পেয়েছে মাস-মার্ডারের। কিন্তু কালিয়া কিছু করার আগেই রহস্যজনকভাবে মৃত্যু ঘটছে তাদের। হয় কার্ডিয়াক ফেইলিওর বা হার্ট-অ্যাটাক, নইলে অ্যাক্সিডেন্ট। ফরেনসিক রিপোর্ট বলছে স্বাভাবিক ডেথ, কমন ফ্যাক্টর শুধু একটাই – সকলেই মরার আগে প্রচণ্ড ভয় পেয়েছিলেন।
 অতীত কি তবে আবার ফিরে আসতে চাইছে বর্তমানে?
ওদিকে নিখোঁজ হল এক হসপিটালের মর্গের অ্যাটেনডেন্ট। তার বাড়ি থেকে উদ্ধার হল টাকা ভর্তি ব্যাগ আর ব্র্যান্ডেড মদের বোতল।
 কার্ডিয়াক ফেইলিওর বা হার্ট-অ্যাটাককে কি মার্ডার বলা চলে? কিন্তু মোডাস অপারেন্ডি? আর অস্ত্র? গুলি নেই, ছুরি নেই, বিষও নেই! তবে ভিকটিমরা মরছে কী করে? সূত্র শুধু একটাই – ভয়।
 – “যো ডর গয়া, সমঝো মর গয়া! আমি ভয় পাই, তাই ভয় দেখিয়েই মারি। পারলে কেউ আমাকে থামিয়ে দেখাক।“  
 অধিরাজ অ্যাডাল্ট সিরিজের পরবর্তী উপন্যাস – ‘ডেয়ার অর ডাই।

30% Off

অন্ধকারের গল্প

Tk 270 Tk 189

গল্পের সারাংশ
অন্ধকারের গল্প‘ লেখকের নবম বই। যে ছয়খানি গল্প নিয়ে এই ক্ষুদ্র সংকলনটি রচিত, তাঁর প্রায় প্রতিটিই কোনও না কোনও ম্যাগাজিন, ওয়েবজিন অথবা কোনও সংকলনে পূর্বপ্রকাশিত।
গল্পগুলি ভয়ের না, ভুতের না, যে আদিম জান্তব বোধ মানুষের মাথার মধ্যে ক্রমাগত অন্ধকারের উর্ণা বুনে চলে, গল্পগুলি সেই বোধের খোঁজ করে চলে। তাই মানুষের মনের কোণে লুকিয়ে থাকা আদিম বিষণ্ণতা আর অসহায়তা মিশে থাকে প্রতিটি গল্পের পরতে।
আসুন পাঠক, সেই অন্ধকারের বহমান নদীতে ডুব দিই।

15% Off

আহ্বান (হার্ডকভার) আধুনিক মননে আলোর পরশ

Tk 270 Tk 230

দয়াময় রব গোটা সৃষ্টিজগৎকে সাজিয়েছেন অপরূপ নৈপুণ্যে, সর্বত্র ছড়িয়ে দিয়েছেন অনুপম কারুকার্যের হাজারো নিদর্শন। কত বদল আর বৈচিত্র্যে ঠাসা এ চরাচর! যেন প্রভুর পরম আসমানি স্পর্শ লেগে আছে প্রতিটি কোণে। একেক সৃষ্টিকে  তৈরি করেছেন একেক ব্যঞ্জনায়। এজন্যই তো অহংকার তাঁর আপন চাদর। আমাদের যত প্রার্থনা ও স্তুতি—সকলই কেবল তাঁকে ঘিরে। তিনিই মানুষকে পাঠিয়েছেন জোড়ায় জোড়ায়; একে অন্যের ভূষণরূপে। আমাদের সমৃদ্ধ করেছেন উত্তম রিজিকে, প্রখর মেধা আর তারুণ্যের প্রাণোচ্ছল চঞ্চলতায়। ভরসার ছায়া আর অবারিত অনুগ্রহে আগলে রেখেছেন তামাম কুল-কায়েনাত।

এসবেরই স্বচ্ছন্দ ও সুখপাঠ্য পর্যালোচনা হাজির করেছেন বর্তমান সময়ের তুমুল জনপ্রিয় দাঈ শাইখ মিজানুর রহমান আজহারি। তরুণ প্রজন্মের সামনে পেশ করেছেন সুস্থ-সুন্দর, সময়োপযোগী ও ঈমানদীপ্ত জীবনের নববি চালচিত্র। সময়ের সবুজ সওয়ারিদের আহ্বান করেছেন গৌরবময় সত্যের পথে।

40% Off

মুসলিম সভ্যতার ১০০১ আবিষ্কার (হার্ডকভার)

Tk 700 Tk 420

প্রফেসর সেলিম টি এস আল-হাসসানি রচিত ন্যাশনাল জিওগ্রাফিক থেকে প্রকাশিত 1001 Inventions : The Enduring Legacy of Muslim Civilization নামের বিশ্ববিখ্যাত গ্রন্থের বাংলা অনুবাদ গ্রন্থ— মুসলিম সভ্যতার ১০০১ আবিস্কার। এটি কেবল একটি বই নয়—  এক আকাশ ইতিহাসের শেকড়সন্ধানী ইতিহাস সংকলন। হাজার বছরের ইতিহাসের পাতা থেকে মুছে ফেলা মুসলিম সভ্যতার মহানায়ক মুসলিম বিজ্ঞানীদের অবদানের ইতিহাসভিত্তিক আলোচনাগুলো আবৃত হয়েছে দুমলাটের ভেতরকার জমিনে। গোটা বিশ্বের ইতিহাস থেকে মুসলিম সভ্যতার অবদানমুখর অধ্যায়কে মুছে ফেলে এবং সকল শিক্ষা পাঠ্যক্রম থেকে এ আলোচনাকে নিশ্চিহ্ন করে দিয়ে— যে সময়টিকে ডার্ক এইজ বা অন্ধকার যুগ হিসেবে পরিচিত করানো হয়েছে; এ গ্রন্থে মূলত সে সময়টিকে গোল্ডেন এইজ বা স্বর্ণযুগ প্রমাণ করার প্রয়াস চলানো হয়েছে। আধুনিক জ্ঞান-বিজ্ঞান ও তথ্য-প্রযুক্তি এবং আবিস্কার-উন্নয়নের নেপথ্যে মুসলিমদের কৃতিত্ব ও অবদানমূলক গৌরবগাথাগুলো একত্রিত করা হয়েছে এ গ্রন্থের পাতায় পাতায়।
সাদা কাগজের কিছু পৃষ্ঠার ওপর কালো কালিতে খচিত নিছক কোনো গ্রন্থ নয় এটি। মুসলিম সভ্যতার মহানায়ক মুসলিম বিজ্ঞানীদের গৌরবগাথা আবিস্কার-অবদানের ইতিহাস সমৃদ্ধ শেকড়সন্ধানী এক প্রামাণ্যগ্রন্থ— মুসলিম সভ্যতার ১০০১ আবিস্কার।
৩৭৬ পৃষ্ঠার বৃহৎ কলেবরের একটি বই। মোট ৮ অধ্যায়ে বিন্যস্ত এ গ্রন্থে এক শতাধিক বিষয়ভিত্তিক শিরোনামে তুলে ধরা হয়েছে অসংখ্য-অগণিত আবিস্কার ও উন্নয়নের গল্প। গ্রন্থটির প্রতিটি লাইনে লাইনে উঠে এসেছে আবিস্কার-অবদানের চেপে রাখা ইতিহাসের ইতিহাস।  এছাড়া মুসলিম সভ্যতার উন্নয়নের সময়কাল ও মুসলিম সভ্যতার প্রধান প্রধান অবদানের মানচিত্র শিরোনামের ২টি ব্যতিক্রমধর্মী টাইমলাইনের যুক্ত করার পাশাপাশি সাড়ে ৯ ইঞ্চি বাই সাড়ে ৬ ইঞ্চি সাইজের বইটি যুক্ত করা হয়েছে দূর্লভ ও বিরল হিস্ট্রিক্যাল বিভিন্ন ছবি ও প্রাচীন পাণ্ডুলিপির রেফারেন্স।  
বর্তমানে বিশ্বে মুসলমানিত্বের অস্তিত্বের গৌরবোজ্জল ঐতিহাসিক পরিচয় নিয়ে বেঁচে থাকতে, পবিত্র কুরআন ও সহিহ হাদিসগ্রন্থের পর এ গ্রন্থটি সবচেয়ে বেশি গ্রহণযোগ্য হওয়ার দাবি রাখে। কারণ এ গ্রন্থের প্রতিটি লাইন সমৃদ্ধ হয়েছে মুসলিমদের অবদানের গৌরবগাথায়। বংশগত ঐতিহ্য রক্ষার্থে প্রত্যেকটি মুসলিম পরিবার যেমনিভাবে বংশলতিকা সংরক্ষণ করে; মুসলিম সভ্যতার হাজার বছরের অবদানমুখর গৌরবগাথা ইতিহাস নিজেরা জানতে এবং অন্যকে জানাতে তেমনিভাবে এ গ্রন্থটিও প্রত্যেক মুসলিম পরিবারে সংরক্ষিত হওয়া উচিত।

আপনি কেন এই বইটি কিনবেন?
* আপনি কি জানেন— গণিত, ত্রিকোণমিতি, জ্যামিতি, ডিসটিলেশন-পাতন, রসায়ন এবং উড্ডয়ন যন্ত্র বা বিমানের আবিষ্কার কে বা কারা?
* কফি, ঘড়ি, দাবাখেলা, ধাঁধাযন্ত্র, সুগন্ধি, লাইফস্টাইল পণ্য এবং ক্যামেরা আবিষ্কার করেছিলেন কোন কোন মুসলিম বিজ্ঞানী?
* কৃষিবিপ্লব, পানি সরবরাহ, বাঁধ নির্মাণ, বায়ুকল, বস্ত্র ও কাগজ আবিষ্কারসহ মৃৎশিল্প, কাচের শিল্প-কারখানা, মণিমুক্তা-অলংকার ও মুদ্রার প্রচলনে মুসলিম বিজ্ঞানীদের অবদানের ইতিহাসগুলো আপনার জানা আছে কি?
* আপনি কি জানেন— স্থাপত্য, নগর পরিকল্পনা, খিলান, গম্বুজ, মিনার, দুর্গ, গণগোসলখানা, তাঁবু, কাচঘর এবং বাগান ও ঝরনার উন্নয়নসহ হাসপাতাল নির্মাণ, সার্জারি, চিকিৎসা-অস্ত্রোপচারের বিভিন্ন যন্ত্রপাতি ও টিকা আবিষ্কার, ঔষধালয় নির্মাণ এবং ভেষজ চিকিৎসার উন্নয়নে মুসলিম সভ্যতার মহানায়ক মুসলিম বিজ্ঞানীদের কি কি অবদান রয়েছে?
* ভূগোল, মানচিত্র অঙ্কন, যুদ্ধাস্ত্র তৈরি, সামাজিক বিজ্ঞান ও অর্থনীতি এবং নৌবিদ্যা ও বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠাসহ জোতির্বিদ্যা, মানমন্দির প্রতিষ্ঠা, অ্যাস্ট্রোলেব আবিষ্কার এবং চাঁদ ও নক্ষত্রপুঞ্জ নিরীক্ষণে মুসলিম বিজ্ঞানীদের অবদানের ইতিহাসগুলো আপনার জানা আছে কি?

এসব আবিষ্কার ও উন্নয়নের নেপথ্যে মুসলিম বিজ্ঞানীদের অবদানের শেকড়সন্ধানী ইতিহাস জানতে হাতে তুলে নিন ‘মুসলিম সভ্যতার ১০০১ আবিষ্কার’ গ্রন্থটি। গোটা বিশ্বের ইতিহাস থেকে মুসলিম সভ্যতার অবদানমুখর  অধ্যায়কে মুছে ফেলে এবং সকল প্রকারের শিক্ষা পাঠ্যক্রম থেকে এ আলোচনাকে নিশ্চিহ্ন করে দিয়ে মুসলিম বিজ্ঞানীদের অবদানমূখর যে সময়টিকে ‘ডার্ক এইজ’ বা ‘অন্ধকার যুগ’ হিসেবে পরিচিত করানো হয়েছে, এ গ্রন্থে মূলত সে সময়টি ‘গোল্ডেন এইজ’ বা ‘স্বর্ণযুগ’ হিসেবে প্রমাণ করা হয়েছে।
সাদা কাগজের কিছু পৃষ্ঠার ওপর কালো কালিতে খচিত নিছক কোনো গ্রন্থ নয় এটি। মুসলিম সভ্যতার মহানায়ক মুসলিম বিজ্ঞানীদের গৌরবগাথা আবিষ্কার-অবদানের শেকড়সন্ধানী ইতিহাস সমৃদ্ধ  এক প্রামাণ্যগ্রন্থ— মুসলিম সভ্যতার ১০০১ আবিস্কার।

40% Off

ISI : পাকিস্তানের ভেতর আরেক পাকিস্তান (হার্ড কাভার)

Tk 400 Tk 240

ISI : পাকিস্তানের ভেতর আরেক পাকিস্তান
সিআইএ, RAW, সাভাক, কেজিবি ও অন্যান্য প্রমুখ ইন্টেলিজেন্স এজেন্সির সাথে আইএসআই-র সম্পর্কের উপরও আলোকপাত করেছে; আর সন্ত্রাসী উপাদান ও সন্ত্রাসী সংগঠনের ব্যাপারে বলাই বাহুল্য। বইটি পাকিস্তানের অভ্যন্তরীণ রাজনীতি ও বিভিন্ন প্রদেশে আইএসআই-র প্রভাব ও আধিপত্য বিস্তারের বিষয়টিও তুলে ধরেছে।

পাকিস্তান সেনাবাহিনীর তৎকালীন Deputy Chief of Staff ব্রিটিশ অফিসার মেজর জেনারেল রবার্ট কাউথর্ন কর্তৃক প্রতিষ্ঠিত পাকিস্তানের Inter-Services Intelligence (ISI) বছরের পর বছর ধরে অনুন্নত ও অখ্যাত সংস্থা ছিল। উল্লেখ্য, ১৯৪৭-৪৮ সালের ভারত-পাকিস্তান যুদ্ধের পরিপ্রেক্ষিতে আইএসআই গঠিত
হয়। ১৯৭৯ সালে আফগানিস্তানে সোভিয়েত যুদ্ধের সময় সংস্থাটির ক্রমবর্ধমান গুরুত্ব অনুভূত হয়েছিল কারণ সংস্থাটি মুজাহিদিন প্রতিরোধকে সমর্থন করার জন্য সিআইএ-র সাথে হাত মিলিয়ে কাজ করেছিল। কিন্তু সংস্থাটির কার্যক্রম সংবাদ মাধ্যমে কভারেজ পায়নি বললেই চলে।
এরপর থেকে ১৯৮৮ সালে আইএসআইয়ের ভারতীয় কাশ্মীরে জড়িত থাকার বিষয়টি ক্রমবর্ধমান তদন্তের আওতায় আসে এবং ১৯৯৫ সাল নাগাদ আফগানি তালেবানকে আইএসআইয়ের তরফ থেকে পরামর্শ দেওয়ার বিষয়টিও ভালোভাবে প্রমাণিত হয়েছিল। কিন্তু আল কায়েদার সাথে সংস্থাটির কথিত যোগসূত্র এবং
পাকিস্তানের সামরিক অঞ্চলের প্রাণকেন্দ্র অ্যাবোটাবাদে উসামা বিন লাদেনকে আবিষ্কার যা সত্যিই আইএসআই-কে স্পটলাইটের নিচে নিয়ে আসে। ১৯৯৮ সালে পাকিস্তানের পারমাণবিক অস্ত্র পরীক্ষায় আইএসআইয়ের ভূমিকা এবং আবদুল কাদির খানের সাথে আইএসআইয়ের যোগসূত্রসহ নানান বিতর্ক আইএসআই-কে
হতাশায় ডুবিয়েছিল। অভ্যন্তরীণ কার্যক্রম ও মুখ্য ব্যক্তিদের প্রগাঢ় জ্ঞানের উপর ভিত্তি করে দেশীয় ও আন্তর্জাতিক এজেন্সি হিসেবে আইএসআই সম্পর্কে নতুন অন্তর্দৃষ্টি দেওয়াই হলো এই বইয়ের মূল লক্ষ্য। এই চমকপ্রদ বইটি পাকিস্তানের সিক্রেট সার্ভিসের এতদিনের রহস্যময় জগতকে
উন্মোচন করবে।